Posted on

স্মার্টফোনের সাবধানতা বাড়ান! না হলে হতে পারে বড়ো বিপদ

ফেসবুক, পেটিএম থেকে টাকা মেটানো, গান শোনা, ভিডিও দেখা, ছবি তোলা ইত্যাদি স্মার্টফোনে করেই থাকি। হটাৎ একদিন যদি আপনার ফেসবুক হ্যাক হয়ে যায় বা আপনার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা হাওয়া হয়ে যায় তাহলে। এমনটাই হতে পারে বলে জানাচ্ছেন সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ বিনীত কুমার।

প্রায় শোনা যাচ্ছে ফেসবুক হ্যাক হয়ে গেছে বা ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা চুরি হয়ে গেছে। চিভনিং অ্যালামনি ইন্ডিয়ার কলকাতা চ্যাপ্টারের আয়োজনে ‘সাইবার সিকিউরিটি চ্যালেঞ্জেস অ্যান্ড অপারচুনিটিজ’ নিয়ে বলতে এসে বিনীত কুমার জানাচ্ছেন, আপনার ফোনও অজান্তে বিপদ ডেকে আনতে পারে। সাইবার সিকিউরিটি বিশেষজ্ঞ ও সাইবার পিস ফাউন্ডেশনের প্রধান বিনীত কুমার সাবধানবানী বলেছেন। জেনে নিন এবং সাবধান হন।

এখনকার দিনে ভাইরাসের যুগ চলে গিয়ে এখন নতুনভাবে এসেছে ‘বটস্’। ভাইরাসের থেকে বড়ো মারাত্মক বলা হচ্ছে বটস্ কে। কোন সাইট থেকে সাইবার অপরাধীরা হটাৎ কোনদিন আপনার ফোনে কোনো বিপজ্জনক প্রোগ্রাম ঢুকিয়ে দেবে আপনি বুঝতেই পারবেন না। বেশিভাগ মানুষের ফোন কিছু দিন ব্যবহার করার পরেই ফোন স্লো হয়ে যায়। অনেকে ভাবেন ফোন বেশি ব্যাবহারে,ডাউনলোড করার ফলে বা মেমরি ভর্তি হয়ে যাবার ফলে ফোন স্লো হয়ে যাচ্ছে। কিন্তু বিনীত বলছেন, আপনি কোনো লিঙ্ক ক্লিক করে আপনার ফোনে বটস্ নিয়ে এসেছেন আপনিই। সেই প্রোগ্রামগুলিই আপনার ফোনের তথ্য চুরি করছে। এটাও জানাচ্ছেন, ফোন স্লো না হলেও পিছনে হয়তো অন্য কেউ আপনার ফোন চালাচ্ছে এমনটাও হতে পারে।

বিনীত কুমার কী কী সাবধানতা মেনে চলার কথা বলেছেন

১. আপনি যে ফোনই ব্যবহার করুন না কেন, তা নিয়ম করে আপডেট করুন।

২. ফোনে যেকোনও সাইট খুলবেন না।

৩. ফোনের একটি শক্ত পাসওয়ার্ড রাখুন। পারলে প্যাডলক ব্যবহার করুন।

৪. ফোনের মধ্যে যে অ্যাপ গুলি রয়েছে যেমন – ফেসবুক, হোয়াটস অ্যাপ, পেটিএম, মিডিয়া প্লেয়ার ইত্যাদি নিয়মিত আপডেট করুন।

৫. যে কোনও লিঙ্কে ক্লিক করবেন না।

৬. ইউআরএল-এর কাছে লাল দাগ দেওয়া প্যাডলক দেখলে সেই সাইট এড়িয়ে যান। আজকাল আর ভাইরাস নয়, বটের মাধ্যমে আপনার ফোনের তথ্য চুরি হতে পারে।

৭. ফেসবুক বা জিমেল ই অবশ্যই সেগুলিতে ‘টু-স্টেপ’ ভেরিফিকেশন বা পাসওয়ার্ড ঠিক করুন।

৮. ফোন যে কোনো লোককে ব্যবহার করতে দেবেন না।

৯. ফোনে কোনও ভালো অ্যান্টি-ভাইরাস ডাউনলোড করে রাখুন।

১০. কোনও অ্যাপ্লিকেশন ডাউনলোড করার আগে সাবধান। ভাল করে দেখে নিন, বিনা পয়সায় সেটি পেলেও বিশ্বাসযোগ্য কিনা।

১১. ফোনের দোকানে গিয়ে দোকানদারকে অ্যাপ ডাউনলোড করে দিতে বলবেন না।

এখনকার দিনে স্মার্টফোনের সাহায্যে সব কাজ কত সহজ হয়ে যাচ্ছে যেমন – ইলেক্ট্রিক বিল, টিভি, মাইক্রোওভেন, দূরে টাকা পাঠানো কিন্তু যদি স্মার্টস্ফোনটি হ্যাক হয়ে যায়। এমন দিনও আসতে পারে বলেই বিনীত কুমার সাবধানতা কথা বলেছেন।

কিন্তু বিনীত কুমার এটাও বলছেন, স্মার্টফোন ছাড়া তো আমাদের চলবে না। তাই ফোন ব্যবহার করার সময়ে সাবধানতা গুলি অবলম্বন করে চলুন তাহলে দেখবেন আপনার ফোন সুরক্ষিত থাকবে।

Posted on

রোজ একটি করে তুলসীপাতা খেলে কী কী উপকার পাবেন জেনে নিন

আয়ুর্বেদিক মতে তুলসীপাতা বিভিন্ন ব্যাধি ভালো করে। হার্টের অসুখ ইসকিমিয়ার চিকিৎসায় তুলসীপাতা ভালো কাজ দেয়। পাঁচবছর ধরে তুলসীপাতা নিয়ে গবেষণা করছেন ডাঃ পি. জি. কুরুপ। তুলসীপাতা সেবনের কোন বাঁধাধরা নিয়ম নেই। যখন ইচ্ছা যতগুলি ইচ্ছা কাঁচাপাতা চিবিয়ে খাওয়া যায়।

বনৌষধির মধ্যে তুলসী সর্বোৎকৃষ্ট বলে স্বীকার করা হয়েছে। মেটেরিয়া মেডিকোতে এই গাছকে সর্বোচ্চ স্থান দেওয়া হয়েছে।

আগেকার দিনে মুনিঋষিরা তুলসীপাতা দিয়ে নানা ঔষুধ তৈরি করতেন। এমনকি মুনিঋষিরা বলেছেন, তুলসীগাছের মধ্যে একটা আধ্যাত্মিক শক্তি আছে যা মনোযোগ বাড়ায় ও অপূর্ব একটা মানসিক শান্তি প্রাপ্ত হয়।

প্রাত্যহিক জীবনে তুলসীপাতার গুনাগুন :

১. তুলসীপাতা চিবোলে দাঁতে পোকা লাগে না। দাঁত মজবুত, উজ্জ্বল হয় এবং দাঁতের আয়ু বাড়ে।

২. তুলসীর গন্ধ রক্তবিকার নাশ করে।

৩. কার্ত্তিক মাসে প্রতিদিন প্রাতঃকালে দু -তিনটি করে তুলসীর পাতা খালিপেটে চিবিয়ে খেলে পুরো বছর কোনও প্রকার রোগ হবে না। কার্ত্তিক মাসের আবহাওয়ায় তুলসীপাতার প্রয়োগ সর্বদা দেহকে নীরোগ করে।

৪. তুলসীগাছ স্বভাবশতঃ সাত্বিকতা নিয়ে আসে ও চিত্তের একাগ্রতা আনে। এর কাছে বসলে বা দাঁড়ালে মানসিক একাগ্রতা বাড়ে।

৫. সূর্যগ্রহণ বা চন্দ্রগ্রহণ কালে তুলসীর পাতা খাবার ও জলে দিয়ে খাদ্যবস্তুতে রেখে দিলে গ্রহণের সময় দূষিত আবহাওয়ার প্রভাব পড়ে না।

৬. তুলশিরপাতার রস নিয়ে মালিশ করলে হাড় শক্ত হয় , দেহকে নীরোগ রাখে। সাবান, তেল, ক্রীম প্রভৃতির স্থলে তুলসীর রস প্রয়োগ করলে নানাপ্রকার দৈহিক সুস্থতা লাভ হয়।

৭.তুলসীগাছ আধ্যাত্মিক শক্তির প্রতীক বলে মানা হয়েছে। তুলসী তলায় প্রদীপ জ্বালালে এবং তুলসীগাছকে প্রদক্ষিণ করলে অপূর্ব মানসিক শান্তি প্রাপ্ত হওয়া যায়।

৮. খাবার জলের পাত্রে তুলসীর পাতা রেখে সেই জল পান করলে উদর সংক্রান্ত কোনও রোগ হবে না।

৯. স্নান করার আগে তুলসীর কিছু পাতা জলে দিয়ে কিছুক্ষন বাদে সেই জলে স্নান করলে কোনও প্রকার চর্মরোগ হয় না।

১০. তুলসীর মালা কণ্ঠে ধারণ করলে শরীর সর্বদা সুস্থ থাকে।

Posted on

জানলে অবাক হবেন? এই কিশোর এক বছরে ২০টি ডিম পেরেছে

সাধারণত মানুষের পেটে মুরগির ডিম এটা বিশ্বাস হবার কথা নয় তাহলে ডাক্তাররা বিশ্বাস করছেন কী করে? প্রথমে ডাক্তাররা মানতেই চাননি, বিশ্বাস অর্জনের জন্য ডাক্তারদের সামনে দুটি ডিম পাড়ে কিশোরটি। ডাক্তাররা পরীক্ষা করে দেখেন যে দুটি ডিমই মুরগির।

ডাক্তারদের খটকা এই ডিম দুটি থেকেই শুরু হয়। মানুষের পাড়া ডিমের সঙ্গে মুরগির ডিমের এত মিল কি করে? ছেলেটি সত্যিই কি ডিম পারে এটা নিজেদের চোখে দেখার জন্য ২৪ ঘন্টা ছেলেটিকে নজরদারিতে রাখা হয়েছে। যাতে কোনো ভাবেই না বাইরে থেকে ছেলেটির ঘরে ডিম যায়। এরপরও যদি কিশোরটি ডিম পারে তাহলে ডাক্তারদের খুব বড়ো একটা চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়াবে।

ডাক্তাররা ধারণা করছেন, হাসপাতালে দেখাতে আসার আগে ছেলেটির রেকটাম ডিম ঢোকানো হয়েছে। কোনটা সত্য তা জানার জন্য কিশোরটিকে কড়া পর্যবেক্ষনে রাখা হয়েছে।

এক সংবাদমাধ্যম জানা যায়,ইন্দোনেশিয়ায় এই অবিশ্বাসকর ঘটনাটি ঘটেছে। সেখান থেকে জানা যায়, কিশোরটি নাম আকমল। কিশোরটি বয়স চোদ্দো বছর। বিগত দু – বছরে কুড়িটি ডিম পেরেছে কিশোরটি। তাকে যে হাসপাতালে রাখা হয়েছে সেখানেও সে দুটি ডিম পাড়ে। কিন্তু কিশোরটির পরিবারের লোকজন জানাচ্ছেন, একই সমস্যার জন্য ছেলেটিকে আগেও দু -বার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল।

ডাক্তাররা জানাচ্ছেন, বিজ্ঞানের দিক থেকে মানুষের পেটে মুরগির ডিম তৈরি হওয়া কোনো দিনই সম্ভব নয়। তাই ছেলেটির চিকিৎসা করা হচ্ছে ও ২৪ ঘন্টা নজরদারিতে রাখা হচ্ছে। কিশোরটি যে দুটি ডিম দিয়েছে, সেই দুটি ডিম ফাটিয়ে দেখা গিয়েছে, একটিতে ডিমের কুসুম ও অন্যটি থেকে ডিমের সাদা অংশটি পাওয়া গেছে। কি ভাবে এটি সম্ভব হচ্ছে। এই বিষয় নিয়ে সবার মধ্যে একটা কৌতূহল বেড়েই চলেছে।

Posted on

বহু রোগ থেকে বাঁচতে জেনে নিনি আদার উপকারিতা

অথর্ব বেদে বৈদ্যক কল্পে আদার সম্বন্ধে বলা হয়েছে – আদা আমাদের শরীরে তিনটি অগ্নিবল বাড়ায়। এই তিনটি অগ্নি হচ্ছে – কায়াগ্নি, অন্তরাগ্নি, বহিরাগ্নি। শুকনো আদার অপর নাম বিশ্ব। বৈদিক যুগে আদাকে বলা হয়েছে ভক্ষণকারী। অৰ্থাৎ আদার রসে খাদ্যবস্তু জীর্ণ হয়। খাদ্যটি সুস্বাদু হয়। তাই আমরা মাংসে আদার ব্যবহার করে থাকি। আদার বোটানিক্যাল নাম জিঞ্জিবার অকিসেনেল রকস (jinjiber Ocisenel Rox)। কয়েকটি রাসায়নিক পর্দাথ ছাড়া আদায় আছে – লবণ, পটাশিয়াম, ভেলিটাইল অয়েল ইত্যাদি।

দাদু ঠাকুমার কাছ থেকে শোনা যায় সর্দি, কাশি,জ্বর বা গা, হাত,পায়ে ব্যাথা হলে তারা ঘরোয়া টোটকা হিসাবে তুলসী পাতার রস, আদার রস ও মধু মিশিয়ে খাওয়াতেন এবং বসন্ত রোগ হলে তখন কার দিনে আদার রস সঙ্গে তুলসীপাতার রস মিশিয়ে খাওয়াতেন।

ডাক্তাররা বলছে গা, হাত, পায়ে ব্যাথা বা জ্বর হলে আদার রস, তুলসী পাতার রস এক সাথে মিশিয়ে খেলে উপকার মিলবে। এমনকি এটাও জানাচ্ছেন বুকে বা গলায় কফ জমে গেলে একটু আদার সাথে সৈন্ধব লবন মিশিয়ে খেলে উপকার পাবেন। এমনকি মুখে যদি কোনো স্বাদ না পান তাহলে একটু আদা মুখে নিয়ে চিবিয়ে খেলে মুখের স্বাদ ফিরে আসবে।

বিভিন্ন রোগে আদার ব্যবহার:-

সর্দি-জ্বর: হটাৎ করে ঠান্ডা লেগে সর্দি, কাশি, জ্বরে ১ চামচ আদার রস, ১ চামচ মধু, ১ চামচ তুলসী পাতার রস এবং ২ চামচ শিউলি গাছের পাতার রস মিশিয়ে খেতে হবে রোজ দুবার করে তিন দিন খেলে সুরাহা পাবেন।

অক্ষুধা: খাবার বেশ কিছুক্ষন আগে সৈন্ধব লবন দিয়ে একটু আদা চিবিয়ে খেলে মুখের রুচি ফিরবে, ক্ষিদে বাড়বে এবং গলায় কফ জমে থাকলে পরিষ্কার হয়ে যাবে।

আমবাত: ১ চামচ আদার রস ও ১০ গ্রাম পুরানো আখের গুড় মিশিয়ে খেতে হবে রোজ সকালে একবার করে ১ মাস।

বসন্ত রোগ:১ চামচ আদার রস ও ১ চামচ তুলসীপাতার রস মিশিয়ে দুবার খেলেই বসন্তের গুটি নির্মূল হবে।

জটিল আমাশয়: আদা শুকিয়ে গুঁড়ো করে ১ গ্রাম পরিমান, ১ কাপ ঈষৎ উষ্ণ জলে মিশিয়ে প্রতিদিন খেতে হবে দুবার করে ভালো না হওয়া পর্যন্ত।

হিক্কা বা হেঁচকি: ১ কাপ ছাগলের দুধের সঙ্গে এক চামচ আদার রস মিশিয়ে খেলে সঙ্গে সঙ্গে হেঁচকি কমবে।

আদা চা: কাশি বা গায়ে ব্যাথা হলে আদা চা পান করলে কাশি ও কমে যাবে এবং গায়ে ব্যাথার হাত থেকে মুক্তি পাবেন।

Posted on

একটা চামচ বলে দেবে আপনার শরীরে কি রোগ বাসা বাঁধছে ?

মানুষের পেটের সমস্যা বা ফুসফুসের সমস্যা নিত্যদিন তো লেগেই রয়েছে। তাই এই রোগগুলি অবহেলা করতে করতেই বড় রোগ বাসা বাঁধে শরীরে। সময়ের অভাবে রোগ, ক্লিনিকে গিয়েও পরীক্ষা করা হয়ে ওঠে না। যখন রোগটি শরীরে একদম বাসা বেঁধে ফেলে তখন ডাক্তারের কাছে ছুটতে হয়। কিন্তু এখন, রোগ বাসা বাঁধার আগে থেকেই এক ঘরোয়া পদ্ধতিতে পরীক্ষা করে জেনে নিতে পারবেন যে, আপনার পেটে বা ফুসফুসে সমস্যা রয়েছে কি না।

এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে শরীরে কি রোগ বাসা বাঁধছে তা একটা চামচ ও একটা স্বচ্ছ প্লাস্টিকের প্যাকেটের সাহায্যে জেনে যাবেন। জিভের মধ্যে চামচটি চেপে ধরুন। দেখুন যাতে আপনার লালা চামচটিতে লাগে। এবার ওই লালা লাগা চামচটি প্যাকেটে ভরুন। প্যাকটটি সূর্যের আলোর নীচে বা টেবিল ল্যাম্পের আলোর নীচে ১ মিনিটের জন্য রেখে দিন।

যদি দেখেন চামচটি গন্ধ বা দাগ হয়ে গেছে, তা হলে বুঝবেন আপনার শরীরে কোনো না কোনো রোগ বাসা বেঁধেছে। আর যদি চামচটির মধ্যে কোনো দাগ বা গন্ধ না হয়, তাহলে বুঝবেন আপনি ভিতর থেকে সুস্থ।

চামচটির গন্ধ বা দাগ আপনার কি রোগের সংকেত দেয়

১. হালকা বেগুনি রংয়ের দাগ থাকলে বুঝবেন, বুকে সর্দি বসে আছে বা হাই -কোলেস্টেরল।

২. হালকা হলুদ এবং সাদা রং দেখা গেলে ধরে নিতে হবে, থাইরয়েডের সমস্যা হয়েছে।

৩. কমলা রং বোঝায় কিডনির সমস্যা।

৪. চামচ থেকে যদি দুর্গন্ধ বেরোয়, তাহলে বুঝবেন লিভার বা ফুসফুসের সমস্যা আছে.

৫. আর মিষ্টি গন্ধ বেরলে বুজবেন ডায়বেটিস হয়েছে।

৬. আর ঝাঁঝালো গন্ধ বেরলে বুঝবেন কিডনির সমস্যা

চামচের এই পরীক্ষার পরে উপরে উল্লিখিত কোনও গন্ধ বা রং দেখতে পেলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। রোগ গুলি অবহেলা না করে একটু সময় বার করে পরীক্ষা করিয়ে নিন।

Posted on

৯ কোটি বছর পর মুক্তি পেল মৎস্যাবতার! জানলে অবাক হবেন

বেশিরভাগ বাঙ্গালী মাছ ভাতেই খুশি। দাদু, ঠাকুমার মুখে শোনা যায় মাছ হলো শুভ। তাই যে কোনো শুভ কাজে মাছ দেয়া হয় বা মাছ রান্না করা হয়। কোথাও পুকুর বা নদী থেকে মাছ ধরে তেল, মশলা দিয়ে তা রেঁধে বিভিন্ন স্বাদে পরিবেশিত হয় খাওয়ার পাতে।

পূর্বপুরুষের মুখে শোনা যায়, আগেকার সময় দাদু ঠাকুরদারা পুকুর বা নদীর মাছই খেতে ভালো বাসতেন। কিন্তু এখনকার দিনে সামুদ্রিক নানা মাছ মানুষের প্রিয় খাদ্য তালিকার মধ্যে চলে এসেছে। সেই মাছ নানা রকম ভাবে রেঁধে নানা রকম স্বাদে পরিবেশিত হচ্ছে। এখন বাঙ্গালী ছাড়াও অনেক অবাঙ্গালীর কাছে মাছ প্রিয় খাদ্য হয়ে উঠেছে।

প্রকৃতির নিয়ম মেনে জলজ প্রাণীদের মধ্যেও নানা বিবর্তন ঘটেই চলেছে। সম্প্রতি এমনই এক খবর প্রকাশিত হয়েছে এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমে।

সংবাদমাধ্যমে জানা গিয়েছে, ১০ বছরের এক খুদে পর্যটক কলম্বিয়ার লা ক্যান্ডেলারিয়া নামে এক মনাস্টরি দর্শন করতে গিয়ে চলার পথেই হঠাৎ তার নজরে আসে একটি পাথর। খুদে পর্যটক দেখেন এই পাথরটি সব পাথরের থেকে আলাদা। পাথরটির মধ্যে যেন মাছের আকারের কোনো বস্তু আটকে রয়েছে।

খুদে পর্যটক একটু আলাদা জিনিস ভেবে ছবি তুলে নেয়। এবং তা কোনও ভাবে পৌঁছে যায় স্থানীয় মিউজিয়মের জীবাশ্মবিদদের হাতে। মিউজিয়ামের জীবাশ্মবিদরা খুঁটিয়ে দেখে কোনো কিছু বুঝতে না পেরে তা পাঠিয়ে দেওয়া হয় গবেষণার জন্য।

গবেষণা করে জানা যায়, পাথরের তলায় যে জীবাশ্মটি পাওয়া গেছে তা একটি মাছের। গবেষকদের মতে, এই জীবাশ্মটি ‘লিজার্ড ফিশ’ প্রজাতির। এই প্রজাতির মাছ প্রায় ৯ কোটি বছর আগে পাওয়া যেত এবং বর্তমানে এই মৎস্য প্রজাতির কোনও দূরের আত্মীয়ও টিকে নেই।

গবেষণার মূল কাজটি হয় কানাডার ইউনিভারসিটি অফ অ্যালবার্টা-য়। গবেষণার নানা তথ্য প্রকাশিত হয়েছে ‘জার্নাল অফ সিস্টেমেটিক প্যালিয়োন্টোলেজি’-তে। কলম্বিয়াতে এই প্রথম এমন জীবাশ্মের নিদর্শন পাওয়া গিয়েছে বলে গবেষকরা খুব খুশি হয়েছেন।

Posted on

নববর্ষের আগে স্যামসাং নিয়ে আসতে চলেছে গ্যালাক্সি এস ৯ প্লাস, থাকছে আবিশ্বাস্য ফিচার

নতুন বছরে একের পরে এক নতুন ফোন বাজারে আনছে স্যামসাং। বাজারে স্যামসাং ৮ এবং স্যামসাং ৯ এর পর আরো একটি ব্র্যান্ডের ফোন মার্কেটে লঞ্চ করছে যেটি হচ্ছে স্যামসাং গ্যালাক্সি এস ৯ প্লাস।ইতিমধ্যেই ক্রেতাদের মধ্যে ফোনের ফিচার নিয়ে আগ্রহ তৈরি হয়ে উঠেছে।

এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, স্যামসাং গ্যালাক্সি এস ৯ প্লাস এর একটি স্ক্রিনশট ভাইরাল হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। তা থেকে জানা গিয়েছে যে, এই ফোনের স্ক্রিন ৮.৫ ইঞ্চি ফুল এইচডি, রেজলিউশন ১৫৮.১ x ৭৩.৮ পিক্সেল। এই ফোনের ৬৪ জিবি ও ২৫৬ জিবি ইন্টারনাল স্টোরেজে। ৬৪ জিবি ইন্টারনাল স্টোরেজে অল কালারে পাওয়া যাবে এবং ২৫৬ জিবি ইন্টারনাল স্টোরেজে শুধু মিডনায়ট ব্ল্যাক পাওয়া যাবে। এছাড়াও র‌্যাম ৬ জিবি, ইন্টারনাল মেমোরি ৬৪ জিবি/ ২৫৬ জিবি এবং এক্সটার্নাল মেমোরি ৪০০ জিবি।

ফোনের সামনে ৮ মেগাপিক্সল (F1.7) সিঙ্গল ক্যামেরা এবং রেয়ার ক্যামেরা ১২ মেগাপিক্সল (F1.5/F2.4) + ১২ মেগাপিক্সল (F2.4) ডুয়াল ক্যামেরা থাকবে। ব্যাটারি ৩,৫০০ এমএএইচ।

এই ফোনে আগে থেকে গুগলের সমস্ত অ্যাপস খুব সুন্দর ভাবে ডাউনলোড করা থাকবে, ফলে ক্রেতাদের ডাউনলোড করার ঝামেলা থাকছে না। অ্যাপসগুলো আগের থেকে প্রায় ৮০% কম জায়গা নেবে ফোন মেমোরিতে, ফলে কখনো ফোনটি হ্যাং করবে না। ফোনটি তিনটি রং-এর পাওয়া যাবে লিলাস পার্পল, মিডনাইট ব্ল্যাক, কোরাল ব্লু। মাত্র ২০০০ টাকা দিয়ে প্রি-বুক করতে পারবেন।

ফোনটিতে ফিঙ্গারপ্রিন্ট স্ক্যানার, আইরেস্ স্ক্যানার, ফেস ডিটেকশন এই তিন প্রকার সিকিউরিটি হিসাবে ব্যবহার করা হবে। স্যামসাং গ্যালাক্সি এস ৯ প্লাস এটি অক্টা কোর (10 nm) প্রসেসার।

স্যামসাং গ্যালাক্সি এস ৯ প্লাসে ধীর গতিতে (960 fps) ছবি তোলা যাবে। আপনার চোখ যেমন আপনার পুরো মুখটিকে ক্যাপচার করে ঠিক তেমনি স্যামসাং গ্যালাক্সি এস ৯ প্লাস চোখের মতো পুরোটিকে ক্যাপচার করে ফেলবে।

স্যামসাং গ্যালাক্সি এস ৯ প্লাস এর ইনফিনিটি ডিসপ্লে হবে। স্যামসাং হারমান কোম্পানির ডুয়েল স্টেরিও স্পিকার থাকবে। শুধু তাই নয়, গুগল অ্যাপসগুলির উন্নততর ভার্সন এবার গুগল প্লে স্টোরে পাওয়া যাবে।

এই কোম্পানির অফিসিয়াল অনলাইন স্টোর খুব দ্রুতই গ্যালাক্সি এস ৯ প্লাসের প্রি-অর্ডার নিতে শুরু করবে। আগ্রহী গ্রাহকরা মাত্র ২০০০ টাকায় প্রি বুক করে রাখতে পারবেন। ফ্লিপকাটে আপনারা মার্চের ৬ তারিখে ২ টোর মধ্যে স্যামসাং গ্যালাক্সি এস ৯ প্লাস বুক করতে পারবেন।

Posted on

মহিলাদের ফেক অ্যাকাউন্ট? কড়া ব্যবস্থা নিল ফেসবুক!

ফেসবুকে হামেশাই মহিলাদের ফেক আকাউন্ট দেখা যায় এবং ফেসবুক থেকে ছবি নিয়ে ছবিকে বিকৃত করার ঘটনা প্রায়ই ঘটছে। বহু মহিলা নিরাপত্তাহীনতায় ভোগেন বলে প্রোফাইল পিকচারে নিজেদের ছবির বদলে অন্য ছবি পোস্ট করেন। এ সব প্রতিরোধ করার মতো তেমন শক্তিশালী ফিচার এতদিন ফেসবুকের কাছে ছিল না।

মহিলাদের নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে ফেইসবুক নিয়ে এল নতুন দুটি ফিচার। প্রথম ফিচারটি হলো ফটো গার্ড, দ্বিতীয়টি হলো ফটো ফিল্টার। এই দুটি ফিচার সমন্ধে নিউস ফিডে প্রমোট করা হয়েছে। এই ফিচার সম্মদ্ধে ৩০টি ভারতীয় ভাষায় বলা থাকবে।

ফটো গার্ড: ভারতীয় মহিলাদের ফেসবুক জগতের এই সমস্ত কার্যকলাপ থেকে বাঁচাতে, ফেসবুক নিয়ে এল এই নতুন ফিচারটি যার নাম হলো ফটো গার্ড। এই টুলটি ব্যহার করলে কেউ আপনার ছবিটি ডাউনলোড, শেয়ার বা মেসেঞ্জারেও কাউকে পাঠাতে পারবে না।

আপনার ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে স্ক্রিনশটের মাধ্যমে যে কেউ ছবি নিয়ে নিতে পারে। আপনি প্রোফাইল পিকচারে ফটো গার্ড ব্যবহার করলে, তখনি ফটোগুলির চারিদিকে নীল বর্ডার চলে আসবে এবং ছবিটিতে একটি নীল রং শিল্ড থাকবে। ফেইসবুক এই শিল্ডের নাম দিয়েছেন সোমান। আ্যনরয়েড ফোন গুলিতে ফোটো গার্ড ফিচারটা ব্যবহার করলে ফেসবুকের ফোটোগুলি স্ক্রিনশটের মাধ্যমে কেউ নিতে পারবেন না। আপনার ফেসবুকের অ্যাকাউন্ট সুরক্ষিত থাকবে।

ফটো ফিল্টার: ফটো ফিল্টার হলো এমন একটি ফিচার যার মাধ্যমে আপনারা ভারতের বিভিন্ন জায়গার শিল্পের ডিজাইন ব্যবহার করতে পারবেন। এই ফিল্টার যদি ছবিতে লাগান তাহলে সেই ছবি ডাউনলোড করার প্রবণতা অনেকটাই কমে যাবে। ফেসবুক অ্যাকাউন্ট এ মহিলারা নিজেদের ছবি দিতে ভয় পেতেন বলে অন্যান্য জিনিসের ছবি পোস্ট করে রাখতেন। ফলে তাঁদের সহজে ফেসবুকে খুঁজে বের করা মুশকিল হয়ে পড়ে।

তাহলে এখন থেকে মহিলাদের আর ভয় পাবার কোনো কারণ নেয়। অন্য কোনো ছবি পোস্ট করে রাখতে হবে না নিজের ছবি দিয়েই অ্যাকাউন্ট খুলতে পারবেন। কেউ স্ক্রিনশট বা ফেক একাউন্ট খুলতে পারবে না। নিশ্চিন্তে নিজের ছবি পোস্ট করুন।

Posted on

স্বাধীনতার ৭০ বছর পর বিদ্যুতের দেখা মিলল এক গ্রামে, কিন্তু কেন?

মহারাষ্ট্রের মধ্যে একটি গ্রাম আছে যার নাম এলিফ্যান্টা আইল্যাণ্ড। স্বাধীনতার সত্তর বছর পর আলোর দেখা মিলল মুম্বাই এর এলিফ্যান্টায়। সমুদ্রের নীচ দিয়ে ৭.৫ কিমি দীর্ঘ তারের সাহায্যে আলো পৌঁছাল রাজবন্দর, মোরাবন্দর এবং শেতবন্দর এই তিনটি গ্রামে।

মুম্বাই থেকে ১০ কিমি দূরে এলিফ্যান্টা আইল্যাণ্ড অবস্থিত। এলিফ্যান্টার মধ্যে রয়েছে খোদাই করা মূর্তি ও দেওয়ালে বিভিন্ন কারুকার্য। প্রতি বছর প্রায় ২০ লক্ষ পর্যটক এই এলাকায় আসেন। বিদ্যুৎ পরিষেবা চালু হওয়ায় পর্যটকদের ভিড় বাড়তে পারে বলে আশা করছেন ওই এলাকার বাসিন্দারা।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়ে গুহার গায়ে শত শত মূর্তি খোদিত হয়েছিল। এটি ১৯৮৭ সাল থেকে ইউনেস্কোর হেরিটেজ সাইট হিসাবে মনোনীত হতে শুরু করে। দ্বীপটির একদম উপরে দুটি বৃহৎ ব্রিটিশ যুগের ক্যানন রয়েছে।

তবে ওখানকার স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করেছেন, এখনও গ্রামগুলির মধ্যে অনেক জায়গা আছে যেখানে উন্নয়নের আলো পৌঁছায়নি। প্রশাসনিক মহলে অভিযোগ জানিয়েও কোনও লাভ হয়নি বলে জানিয়েছে স্থানীয় বাসিন্দারা।

আরব সাগরের তলা দিয়ে ৭.৫ কিমি দীর্ঘ তারের সাহায্যে এত বড়ো বিদ্যুৎ সংযোগ এর আগে হয়নি। প্রায় ২৫ কোটি টাকা খরচ হয়েছে মুম্বাই এর এলিফ্যান্টায় বিদ্যুৎ পরিষেবা চালু করতে। তবে মাত্র ১৫ মাসে এই প্রকল্প শেষ করতে পেরে খুশি মহারাষ্ট্র সরকার।

মোট প্রকল্প ব্যয় অনুসারে, মুম্বইয়ের মেট্রোপলিটান রিজার্ভেশন ডেভেলপমেন্ট অথরিটি ১৮.৫০ কোটি টাকা এবং বাকি টাকা এমএসইডিসিএল এর নিজস্ব সম্পদ থেকে বহন করা হয়েছে।

Posted on

আপনি কী চিন্তা করার সময় আঁকিবুঁকি কাটেন? আঁকা এই সব আঁচড় আপনার চরিত্র বুজিয়ে দেবে

আমাদের অনেকেরই চিন্তা করার সময়ে সামনে খোলা কাগজের উপরে আঁকিবুঁকি কাটা অভ্যাস। এই এলোমেলো, খেয়ালখুশির আঁকিবুঁকি ‘ডুডল’ নামে পরিচিত। মনোবিজ্ঞানীরা ও হস্তলিপিবিদ জানান, ডুডুলের কতকগুলো প্যাটার্ন রয়েছে। আমাদের আঁকা এলোমেলো আঁচড়গুলো এই প্যাটার্নের মধ্যেই ঘোরাফেরা করে।

ডুডল আঁকার সময়ে মন কিন্তু আঁকায় নিবদ্ধ থাকে না। এই সব এলোমেলো আঁচড় কাটার সময়ে অনেক ক্ষেত্রেই কাজ করে অবচেতন।
খতিয়ে দেখলে বোঝা যায়, সবাই একই ধরেনের আঁকিবুঁকি কাটেন না। এক এক জনের ডুডল এক এক রকমের হয়ে থাকে। ডুডলের চরিত্র থেকে অনেক ক্ষেত্রেই তার চরিত্র বলে দেওয়া সম্ভব, এ কথা জানায় আধুনিক মনোবিজ্ঞান।

১. যদি এলোমেলো গোলোকৃতির আঁকা ডুডলের আকৃতি হয়ে, তা হলে আপনার মধ্যে সিদ্ধান্ত গ্রহণের বিষয়ে দুর্বলতা রয়েছে।

২. যদি আপনার আঁকা বৃত্তগুলি অসম্পূর্ণ হয়ে থাকে, তবে আপনি খোলামেলা চরিত্রের মানুষ।

৩. আপনি যদি অন্যমনস্ক হয়ে নিখুঁত বৃত্ত আঁকেন, তা হলে বুঝতে হবে আপনি মুক্ত চিন্তার মানুষ। নিজের সমস্যার সমাধান নিজেই করতে পারেন।

৪. অনেকেরই অভ্যেস রয়েছে খোলা চোখ আঁকা। এই ধরনের ডুডল আঁকিয়ের চরিত্রের মুক্ত দিকের কথাই জানায়। আর বুজে থাকা চোখের বেলায় ঘটে তার উলটোটা।

৫. যাঁরা আঁচড় কাটতে কাটতে নিজের নাম লেখেন আর তাকে অলঙ্কৃত করেন, তাঁরা নিঃসন্দেহে আত্মপ্রেমী, আত্মকেন্দ্রিক। এঁদের মধ্যে স্বার্থপরতার প্রবণতা দেখা যায়।