Posted on

জানলে অবাক হবেন? এই কিশোর এক বছরে ২০টি ডিম পেরেছে

সাধারণত মানুষের পেটে মুরগির ডিম এটা বিশ্বাস হবার কথা নয় তাহলে ডাক্তাররা বিশ্বাস করছেন কী করে? প্রথমে ডাক্তাররা মানতেই চাননি, বিশ্বাস অর্জনের জন্য ডাক্তারদের সামনে দুটি ডিম পাড়ে কিশোরটি। ডাক্তাররা পরীক্ষা করে দেখেন যে দুটি ডিমই মুরগির।

ডাক্তারদের খটকা এই ডিম দুটি থেকেই শুরু হয়। মানুষের পাড়া ডিমের সঙ্গে মুরগির ডিমের এত মিল কি করে? ছেলেটি সত্যিই কি ডিম পারে এটা নিজেদের চোখে দেখার জন্য ২৪ ঘন্টা ছেলেটিকে নজরদারিতে রাখা হয়েছে। যাতে কোনো ভাবেই না বাইরে থেকে ছেলেটির ঘরে ডিম যায়। এরপরও যদি কিশোরটি ডিম পারে তাহলে ডাক্তারদের খুব বড়ো একটা চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়াবে।

ডাক্তাররা ধারণা করছেন, হাসপাতালে দেখাতে আসার আগে ছেলেটির রেকটাম ডিম ঢোকানো হয়েছে। কোনটা সত্য তা জানার জন্য কিশোরটিকে কড়া পর্যবেক্ষনে রাখা হয়েছে।

এক সংবাদমাধ্যম জানা যায়,ইন্দোনেশিয়ায় এই অবিশ্বাসকর ঘটনাটি ঘটেছে। সেখান থেকে জানা যায়, কিশোরটি নাম আকমল। কিশোরটি বয়স চোদ্দো বছর। বিগত দু – বছরে কুড়িটি ডিম পেরেছে কিশোরটি। তাকে যে হাসপাতালে রাখা হয়েছে সেখানেও সে দুটি ডিম পাড়ে। কিন্তু কিশোরটির পরিবারের লোকজন জানাচ্ছেন, একই সমস্যার জন্য ছেলেটিকে আগেও দু -বার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল।

ডাক্তাররা জানাচ্ছেন, বিজ্ঞানের দিক থেকে মানুষের পেটে মুরগির ডিম তৈরি হওয়া কোনো দিনই সম্ভব নয়। তাই ছেলেটির চিকিৎসা করা হচ্ছে ও ২৪ ঘন্টা নজরদারিতে রাখা হচ্ছে। কিশোরটি যে দুটি ডিম দিয়েছে, সেই দুটি ডিম ফাটিয়ে দেখা গিয়েছে, একটিতে ডিমের কুসুম ও অন্যটি থেকে ডিমের সাদা অংশটি পাওয়া গেছে। কি ভাবে এটি সম্ভব হচ্ছে। এই বিষয় নিয়ে সবার মধ্যে একটা কৌতূহল বেড়েই চলেছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *